আপনার দুই সন্তানের মাঝের তিক্ততা যেভাবে বুঝবেন এবং সামলাবেন

নতুন টিপস ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক করুন|

সন্তানের মাঝের তিক্ততা

পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর সম্পর্কগুলোর মধ্যে অন্যতম ভাইবোনের সম্পর্ক। আদর-আবদারে ভরা এই মিষ্টি সম্পর্কের মধ্যেও অনেক সময় ভুল-বোঝাবুঝি ও দূরত্ব তৈরি হতে পারে। তীব্র মান-অভিমান থেকে তৈরি হতে পারে ঈর্ষা।

সমস্যাগুলো ছোট ছোট মনে হলেও অনেক মা-বাবাদের জটিলতায় পড়তে হয়। বয়সের সাথে সাথে হয়তো সমস্যাগুলো মিটে যেতে পারে কিংবা বাড়তেও পারে। তাই বিষয়টিকে মামুলি হিসাবে দেখা উচিত নয়। দুই সন্তানের মাঝে তিক্ততার বিষয়গুলো বুঝবেন যেভাবে-
ভুল স্বীকার না করা

দুই সন্তান থাকলে তাদের মাঝে অনেক বিষয়েই মতভিন্নতা হতে পারে। এমনকি ঝগড়াও হতে পারে। কিন্তু এর পর যদি তারা নিজের ভুল স্বীকার না করে বা পরস্পরের কাছে দুঃখপ্রকাশ না করে তা হলে বুঝতে হবে বিষয়টি জটিলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এবং অভিভাবক হিসাবে তখনই হস্তক্ষেপ করুন।
পরস্পরের সমালোচনা

See also  মাত্র ১ কোয়া রসুন যদি বালিশের নিচে রেখে ঘুমান.. সাতদিনের মধ্যেই দেখবেন ম্যাজিক!

দুই বা তিন ভাইবোন যদি সারাক্ষণ একে অন্যের সমালোচনাই করে, কোনো কাজে প্রশংসা না করে তাহলে শুধু তিক্ততাই বাড়বে সম্পর্কের মাঝে। শিশুর মানসিক বিকাশ নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সন্তানদের মাঝে তিক্ততার শুরুটা হয় সমালোচনা থেকেই। এবং এটাই প্রথম লক্ষণ তিক্ততা সৃষ্টিতে।

নিজের মতামতে দৃঢ় থাকা

পাশাপাশি থাকলে মতের অমিল হতেই পারে। নিজের মত অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে চাওয়াটা অন্যায়। এটাও তিক্ততার লক্ষণ। ভবিষ্যতে ওদের সম্পর্কে তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই দুই সন্তানের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে তিক্ততা চলতে থাকলে অবশ্যই মনোবিদের পরামর্শ নিন।

বিশ্বাস ভঙ্গ করা

যদি কথা দিয়ে কথা না রাখে, তাহলে সন্তানদের মাঝে দূরত্ব তৈরি হয়। অনেক সময় বাচ্চারা ইচ্ছে করেই এমনটা করতে পারে। বিশ্বাস ভঙ্গ করে। যদি এমন হতে দেখেন তাহলে বুঝে নেবেন সন্তানদের মাঝে তিক্ততা বাড়ছে। এছাড়া একজন নিজের দোষ অন্য জনের উপর চাপাতে খুব ব্যস্ত হয়ে যায়। এর মানেও হলো, পরস্পরকে সহ্য করতে পারছে না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*