ফর্সা হওয়ার ক্রিম | দ্রুত ফর্সা হওয়ার উপায় | ভেতর থেকে ফর্সা হওয়ার উপায়

নতুন টিপস ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক করুন|

ফর্সা হওয়ার ক্রিম দ্রুত ফর্সা হওয়ার উপায় ভেতর থেকে ফর্সা হওয়ার উপায়

গায়ের রঙটা একটু চাপা, আরেকটু ফর্সা হলে ভালো হতো। এমন ভাবনা থেকেই আমরা নানারকম ক্রিম (cream) বাজার থেকে কিনে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বাজারের বেশিরভাগ ক্রিমেই (cream) থাকে চড়া রাসায়নিক পদার্থ। ফলে ত্বকে (skin) দেখা দিতে পারে কিছু ক্ষতিকারক পার্শ্বক্রিয়া।

তাই আপনি চাইলেই ঘরোয়াভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করে নিতে পারেন ত্বক ফর্সা (fair skin) করার ক্রিম (cream)। ঘরে তৈরি করা ক্রিমগুলো ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী এবং কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও নিরাপদ ত্বক উজ্জ্বল করার এ ক্রিমগুলো। তবে এগুলো অবশ্যই রাতের বেলায় ব্যবহার করতে হবে। রান্নাঘরের কিছু উপাদান দিয়ে তৈরি এ মিশ্রণ ত্বকের অনেক সমস্যারও প্রতিকার করবে। দূর করবে মুখের ব্রণ বা ফুসকুড়ি।

অলিভ অয়েল (oil): অনেকেই হয়তো ভেবে থাকেন যে তৈলাক্ত ত্বকে তেল ব্যবহার করলে ত্বকের(skin) আরো বেশি ক্ষতি হবে কিংবা ব্রণ উঠবে। কিন্তু অলিভ অয়েলে (oil)আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বককে(skin) সজীব এবং পরিষ্কার করে। সূর্যরশ্মির ক্ষতির থেকেও ত্বককে রক্ষা করে এ তেল। অলিভ অয়েল (oil)সেনসিটিভ স্কিনের জন্যও নিরাপদ। নারকেল তেল এবং ফিস অয়েলের(oil) মাধ্যমে এক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ফল পাবেন।

See also  গরমে চুলের বাড়তি যত্ন নিন!

গোলাপ জল: খুব অল্প সময়ে সুন্দর ত্বক পেতে গোলাপ জল অনন্য। ব্রণ বা লালচে ভাব আক্রান্ত ও ফেটে যাওয়া মুখের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। গোলাপ জলে আছে আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপাদান। বিষণ্ণতা দূর করে শিথিলতাও এনে দিতে এর কোনো বিকল্প নেই। তবে গোলাপ জল রাতে ব্যবহার করাই ভালো। কারণ দিনের বেলা যে জীবাণুগুলো মুখের মধ্যে বাসা বাঁধে এগুলোকে ধ্বংস করতে এর কোনো বিকল্প নেই।

এমনকি এ জল ব্যবহারে মুখের বিষাক্ত উপাদানও দূর হয়। গোলাপ জলের সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপ জল বর্ণ উজ্জ্বল করে আর নারকেল তেল ত্বককে (skin) বানায় কোমল।

গোলাপ ফুল কিনে পাপড়িগুলো আলাদা করে একদিন পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর প্রতিদিন মুখে ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে যতোবার মুখ ধোবেন, ততোবারই গোলাপ জল ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন এ জলে মুখ ধোয়ার সময় কোনো ধরনের সাবান ব্যবহার করবেন না।

See also  আপনার স্কিন ড্রাই নাকি ডিহাইড্রেটেড সেটা বুঝবেন কীভাবে?

ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোকো বাটার। এটা যেহেতু খাওয়াও যায়, তাই এ দিয়ে তৈরি লিপ বাম ব্যবহারের নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কোকো বাটারের সঙ্গে ভার্জিন অয়েল (oil)বাড়িতে বানানো সবচেয়ে ভালো রাতের ক্রিম (cream)। দু’সপ্তাহ প্রয়োগ করে দেখুন, ত্বকের (skin) উজ্জ্বলতা বাড়বেই। তাছাড়া ১ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার, ১ টেবিল চামচ কোকো বাটার, ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা, ২ টেবিল চামচ কর্ড লিভার অয়েল(oil) এবং ২ টেবিল চামচ রসুনের তেল মিশিয়ে ক্রিম (cream)তৈরি করে নিন। যা দিনে একবার ব্যবহার করলে দূর হবে কালো দাগ।

গ্রিন টি : আপনি কি জানেন গ্রিন টি’র ত্বকের (skin) বর্ণ উজ্জ্বল করতে অবিশ্বাস্য গুণের কথা? এক কাপ গ্রিন টিতে নারকেল তেল, লেবু আর আলমণ্ড তেল দিন। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সপ্তাহে একবার লাগান।

See also  প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে ময়শ্চারাইজ করার ৫ টি সহজ উপায়

অ্যালোভেরা (ঘৃতকুমারী) : অ্যালোভেরা অন্যতম সেরা ও নিরাপদ ত্বক (skin) চর্চার ক্রিম (cream)। ত্বক (skin) বর্ণোজ্জ্বল বানাতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা ও ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে প্যাক বানান। মিশ্রণটি মুখে লাগান সারারাতের জন্য।

দুধের (milk) সর: সবচেয়ে সেরা ফর্সা হওয়ার রাতের ক্রিম (cream)হলো দুধের (milk) সর (মিল্ক ক্রিম)। সারারাতের জন্য দুধের (milk) সর মুখে লাগিয়ে ঘুমান, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবেই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*