Abhishek Banerjee: ‘বাংলার যুবরাজ অভিষেক’, নয়া গান তৃণমূলের!

নতুন টিপস ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক করুন|

Abhishek Banerjee

বিধানসভা ভোটে জেতার পরে আত্মতুষ্টি নয়, আগামী দিনে মাঠে ময়দানে লড়াই করবে ছাত্র-যুবরা। ছাত্র সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এবার তৈরি হল নতুন গান। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই নয়া গান। তিনি যেভাবে বিধানসভা ভোটে সামনে থেকে লড়াই করেছেন, সেটিই তুলে আনা হয়েছে তৃনমূল ছাত্র পরিষদের গানে। দলীয় ছাত্র-যুব সংগঠনকে মজবুত করতেই এই পরিকল্পনা জোড়া ফুল শিবিরের। সমস্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিলবে এই গান। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে করা হচ্ছে কলার টিউন, রিংটোন।

এই গানটি গেয়েছেন কেশব দে। গানের কথায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে, গরীবের ভগবান, নারীদের সম্মান, তোমার সাথে জড়িয়ে, সহস্র লড়াই লড়ে গেছো, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় সবুজ সেনার সেনাপতির মতো বিষয় আনা হয়েছে। ৪ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই ভিডিও অ্যালবামে দেখানো হয়েছে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিভিন্ন জনসভার ছবি। উল্লেখ হয়েছে বিভিন্ন সময়ে কখনও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পরে, কখনও আবার বজ্রপাতের ঘটনার জেরে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের বাড়ি যাওয়ার ভিডিও।

See also  দলে সুবিধাবাদীদের কোনও জায়গা নেই - মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘বাংলার যুবরাজ অভিষেক’ এটাই দেওয়া হয়েছে অ্যালবামের নাম। গানটি লিখেছেন বাদল পাল। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যেই সমস্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গানটা রিলিজ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি রিংটোন, কলার টিউন অবধি করা যাবে।” খেলা হবে-র সুরে ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে চমক তৈরি করে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এছাড়া ভোটের সময় কবীর সুমনের গাওয়া ‘বাংলা থাকুক বাংলায়, বাংলা থাকুক মমতায়’ গান মানুষের মনে ধরেছিল।

তাহলে এই নতুন গান কেন? তৃণাঙ্কুর জানাচ্ছেন, “যুব শক্তিকে চাঙ্গা করতে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ডাক দিয়েছেন। ভোটের সময় সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি যেভাবে এগিয়ে গিয়েছেন এটা উদ্ধুদ্ধ করে আমাদের দলের ছাত্র, যুবদের। তাই লড়াই করার মানসিকতা বজায় রাখার জন্যেই এই নয়া গান।”

See also  পরিবার পিছু মাসে ৭,৫০০ টাকা দিক কেন্দ্র, বিরোধী নেতাদের বৈঠকে বললেন মমতা

২৪ ঘন্টার মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে এই গান, দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়তা বাড়াচ্ছে তৃণমূল। নেওয়া হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া যোদ্ধা। বিজেপির আইটি সেলের মোকাবিলায় চলছে এই প্রস্তুতি। জেলা ভিত্তিক তৈরি করা হচ্ছে এই টিম। দল থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে তাদের। ২০২৪ এর আগে রাজনৈতিক লড়াইয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর দিচ্ছে ঘাস ফুল শিবির। ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছিল জোড়া ফুল শিবির। বিভিন্ন ইস্যুতে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ফেসবুক, ট্যুইটার, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউবে চলেছিল প্রচার। ২০২৪- এর আগে গঠনমূলক প্রচার চালাতে চায় তৃণমূল।

দলের মুখপাত্র সুদীপ রাহা জানিয়েছেন, “আমাদের বিজেপির মতো পেড সোশ্যাল মিডিয়া ওয়ার্কার নেই। আমাদের সকলেই দিদিকে ভালোবেসে এই কাজ করেন। সেই কাজ আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা সক্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সৈনিক তৈরি করছি।” দলের যুবদের মধ্যে পরিচিত মুখ সুদীপের ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারেই প্রায় ১৫০০ আবেদন গত ২৪ ঘন্টায় জমা পড়েছে। দল চাইছে জেলায় জেলায় সোশ্যাল মিডিয়া সেনাপতি বাড়াতে। তাদের যাবতীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে আগামী কয়েক বছরে সোশ্যাল মিডিয়ায় লড়াই বৃদ্ধি পাবে গোটা দেশ জুড়ে। বাংলার বিধানসভা ভোটে ব্যাপক ফলের পরে তৃণমূলের নজরে ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়তা বাড়িয়ে নিচ্ছে রাজ্যের শাসক দল।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*