হবু শ্বশুরকে দেখেছিলেন ১৬ বছর বয়সে, অবশেষে তাঁকেই বিয়ে করলেন মহিলা!

হবু শ্বশুরকে দেখেছিলেন ১৬ বছর বয়সে, অবশেষে তাঁকেই বিয়ে করলেন মহিলা!

স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পরে তিনি বিয়ে করেছেন সত্‍-শ্বশুরকে, এই ঘটনাতীব্র আলোড়ন ফেলেছে ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। অনেকে এই ব্যাপারে তাঁর সাহসের প্রশংসা করেছেন, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁকে। অনেকে আবার আঁতকে উঠেছেন নজির দেখে, তাঁদের মনোভাব মূলত সমালোচনার!

এই জায়গায় এসে বলে রাখা ভালো, এরিকা তাঁর সত্‍-শ্বশুর জেফকে কিন্তু স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার ঠিক পরেই বিয়ে করেননি! এর মধ্যে সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনও জটিলতাও নেই। যা আছে তা হল সম্পর্কের জটিলতা।

এরিকা জানিয়েছেন যে সত্‍-শ্বশুর জেফকে যখন প্রথম দেখেন তিনি, তখন তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর। এরিকা আসলে ছিলেন জেফের সত্‍-মেয়ের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। সেই সূত্রেই জেফের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তাঁর এভাবেই একদিন এরিকা তাঁর বান্ধবী ভাই জাস্টিনের প্রেমে পড়েন। জাস্টিনও পছন্দ করতন তাঁকে, ফলে বেশ ধুমধাম করে বিয়ে হয়ে যায়।

যদিও একটি সন্তানের জন্মের পর থেকে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হতে শুরু করে এবং এক সময়ে আইনত ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সেই সময়ে মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত এরিকাকে বন্ধুর মতো আগলে রেখেছিলেন ২৯ বছরের বড় জেফ। সেই সময়েই একে অপরের প্রেমে পড়েন তাঁরা এবং সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়ে বিয়ে করে ফেলেন। বর্তমানে তাঁদের একটি ছোট শিশুকন্যাও রয়েছে।

এরিকা এই বিষয়ে একটি সুন্দর মন্তব্য করেছন। জানিয়েছেন যে মনের দিক থেকে দেখলে তিনিই বরং বুড়োটে, জেফ অনেক বেশি প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা! জাস্টিনের এই সম্পর্ক মেনে নিতে কোনও অসুবিধা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। জেফ বলেছেন, মাঝে মাঝেই তিনি এরিকার সঙ্গে জাস্টিনের লাগামছাড়া জীবনযাত্রা নিয়ে আলোচনা করে থাকেন, বাবা হিসেবে যা তাঁকে চিন্তায় রেখেছে- তবে এরিকা আলোচনায় অস্বস্তিবোধ করেন না!

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.