পৃথিবীর অন্যতম পুষ্টিকর ফল বাংলাদেশে চাষ হচ্ছে, দেখে নিন বিস্তারিত

অ্যাভোকাডো

বাংলাদেশের চাষ হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম পুষ্টিকর ফল অ্যাভোকাডো। অ্যাভোকাডো পৃথিবীর অন্যতম পুষ্টিকর ফল এর মধ্যে একটি । এই ফলটি চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে এখন প্রচুর পরিমাণ  এবং বাংলাদেশের সরকার মনে করছেন কয়েক বছরের মধ্যে এটি বাণিজ্যিক আকার ধারণ করবে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টারে অ্যাভোকাডোর চারা সম্প্রসারণের কাজ চলমান। একসময় সারাদেশে এ ফলের চারা বিস্তার করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারাবিদরা । 

সরোজমিনে মাদারীপুর হটিকালচার সেন্টার দেখা মেলে অ্যাভোকাডো গাছের। দেখা গেছে একাধিক ফল এসেছে তিনটি গাছে। অ্যাভোকাডো ফলটি অনেকটা পেয়ারার মতো এবং গাছটি ছোট আকারের হয়। অ্যাভোকাডো ফলের রং গাঢ় সবুজ বর্ণের।অ্যাভোকাডো গাছের অর্ধশত পরিপক্ক ফল পেতে গেলে বিশেষ যত্ন নিতে হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন অ্যাভোকাডো তে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খনিজ পদার্থ ভিটামিন সি ভিটামিন এ ভিটামিন ই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। পটাশিয়াম যা কলার চেয়ে 80 পার্সেন্ট বেশি থাকে এই ফলে । এছাড়া 18 ধরনের অ্যামাইনো এসিড এবং 34 শতাংশ  সেচুরেটেডফ্যাট রয়েছে। 

অ্যাভোকাডো ফল অন্যান্য ফলের তুলনায় মিষ্টিতা কম। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ফল হল অ্যাভোকাডো। এছাড়া পরিমাণে ভালো কোলেস্টেরল রয়েছে যা শরীরে থাকা ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও শরীরে থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে । 

অ্যাভোকাডোগর্ভবতী মায়েদের জন্য ও তার সন্তানের জন্য একটি উৎকৃষ্ট মানের খাবার। শিশুদের পুষ্টি শোষণের সহায়তা করে। গর্ভপাত রোধ করতে এবং স্বাভাবিক গর্ভধারণের  সহায়ক  হয়। 

অস্ট্রেলিয়া আমেরিকা এবং আমেরিকা মতো অন্যান্য দেশে অ্যাভোকাডো দারুন চাহিদাসম্পন্ন ও দামি ফল। বাংলাদেশের ঢাকায় কোনো কোনো জায়গায় অ্যাভোকাডো 800 টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। ফলে এটির বাণিজ্যিক চাষ অত্যন্ত লাভজনক হবে। 

এছাড়া সবার জন্য মানসিক চাপ,হতাশা , দূরীকরণ ক্ষুধা বৃদ্ধি , সুনিদ্রা এবং দেহের ক্ষতিকারক প্রস্তাব ওমল আকারে বের করে দেহকে সুস্থ রাখতে এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম।

একটি অ্যাভোকাডো ফলের ওজন 300 থেকে 700 গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বাজারে বিদেশ থেকে এনে এই ফল বিক্রি হচ্ছে যার প্রতি কিলো 800 থেকে বারোশো টাকা। যা বাংলাদেশী  সাধারণ মানুষের অ্যাভোকাডো ফলটি কেনা অসম্ভব। 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *