| |

বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করল পৃথিবীর মতো নতুন গ্রহ

বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করল পৃথিবীর মতন দেখতে নতুন গ্রহ

বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করল পৃথিবীর মতন দেখতে নতুন গ্রহ।বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছে যে এই গ্রহ পৃথিবী থেকে অনেক গুন বড়। এবং এই গ্রহের পৃথিবী থেকেও গভীর গভীর সমুদ্র রয়েছে । এই গ্রহের চারিদিকে দুটো নক্ষত্র তার চারপাশে ঘুরছে।এই গ্রহ জলে টলমল করছে।

বহুদিন থেকে সবার মনে একটাই প্রশ্ন পৃথিবীর বাইরে কি প্রাণ আছে? মহাকাশ বিজ্ঞানীরা নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য। এখন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন তাদের সাফল্য এখন আসতে চলেছে।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে মহাকাশে পৃথিবীর মতন দেখতে গ্রহ খুঁজে পেয়েছে তারা। কানাডায় অবস্থিত মন্ট্রিইয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক গবেষকদল এই গ্রহের সন্ধান পেয়েছি ইতিমধ্যে। বিজ্ঞানীরা এই গ্রহের নাম  দিয়েছে  টিাআই 1452 বি,বা সুপার আর্থ।

 নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমাদের সৌরমণ্ডলের কয়েকটি উপগ্রহের সঙ্গে এই ‘সুপার আর্থ’এর  কিছুটা মিল রয়েছে।বৃহস্পতির উপগ্রহ গ্যানিমিড, ক্যালিস্টো এবং শনির উপগ্রহ টাইটান,  এনসিলাডেসের ভেতরে এমন মহাসমুদ্র  লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করা হয়। তবে সে জলরাশি রয়েছে বরফের নিচে। 

এই গ্রহটি রয়েছে পৃথিবী থেকে 100 আলোকবর্ষ দূরে। বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছে এই ‘সুপার আর্থ ‘ গ্রহটি পৃথিবী থেকে  কয়েক গুন বড় এবং এর মধ্যে রয়েছে এক বিশাল সমুদ্র। এই গ্রহের প্রায় 30 শতাংশ জুড়ে রয়েছে এই সমুদ্র। এই সমুদ্রের জল পুরো পরিপূর্ণ টলমল করছে। আমাদের পুরো পৃথিবীতে যত জল আছে তা ‘সুপার আর্থের’ মাত্র এক শতাংশের সমান ।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছে এই গ্রহে এক বছর হয় মাত্র 11 দিনে। তার কারণ জানিয়েছে একটি নক্ষত্র কে প্রদক্ষিণ করতে এর  11 দিন সময় লাগে। এই নক্ষত্রটি অনেক ছোট এবং এটি গ্রহের অনেক কাছে রয়েছে। এদের মধ্যে দূরত্ব  বুধ ও শুক্রের  দূরত্বের প্রায় সমান। এই নক্ষত্র গুলিতে সূর্যের থেকে অনেক কম। তাই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে এর তরল অবস্থায় জল থাকা সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছে এই নক্ষত্রের চারদিকে গ্রহটি ঘরে সেটি আবার অনেক দূর দিয়ে। এই নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরতে সুপার অর্থের সময় লাগে প্রায় 1 হাজার 400 বছর।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছে এই 100 আলোকবর্ষের দূরত্বে এই গ্রহে সত্যি প্রচুর পরিমাণ জল আছে কিনা তা জানার জন্য তাদের আরো অনেক পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই মহাকাশবিজ্ঞানীরা আরো জানিয়েছে এখানে প্রচুর পরিমাণে জল থাকলেও প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়। কারণ আদ্যপ্রান্ত পাথরের গ্রহটিতে সামান্য হাইড্রোজেন রয়েছে। এছাড়াও এই গ্রহে হিলিয়াম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এর সাহায্যে সুপার আর্থ গ্রহকে আরো ভালো করে পর্যবেক্ষণ করবেন বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।ভালো করে পর্যবেক্ষণ করার পর তারা সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।  


প্রতিবেদন   

 এই প্রতিবেদনটা যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই এই প্রতিবেদনটি কি শেয়ার করবেন। এবং এই রকম আরো নিত্য নতুন খবরের  আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকুন ।  এবং যে কোনো সোশ্যাল  মিডিয়ায় এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন। ধন্যবাদ প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য। 

 

 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.